দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে ঢালিউডের সোনালি দিনের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নন্দিত এই অভিনেতার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় এই শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় বাচসাসের সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ ও সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল বলেন, ‘গুণী অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা আর কখনো পূরণ হওয়ার নয়। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
বার্তায় আরো বলা হয়, ‘ইলিয়াস জাভেদ শুধু আমাদের স্বজনই নন, অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দেশ ও দেশের মানুষকে আজীবন ঋণী করে রেখে গেছেন।’
১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’-এর মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ইলিয়াস জাভেদের।
তবে ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ারে আসে বড় মোড়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন করে নেন তিনি।
সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ, অ্যাকশন আর ক্যারিশমার অনন্য মেলবন্ধন।
তাঁর প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিভৃতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।
এমকে/টিএ