নিরাপত্তার অজুহাতে জাতীয় ক্রিকেট দল ভারতে না পাঠালেও, এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শুটার রবিউল ইসলাম ও কোচ শারমিন আক্তারকে ভারতে যাওয়ার সরকারি ছাড়পত্র দিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। শুটিং ইনডোর গেম হওয়ায় নিরাপত্তার শঙ্কা কম, এই বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সপ্তাহ না ঘুরতেই ভারতে স্পোর্টস টিম পাঠানো ইস্যুতে ভিন্ন অবস্থান নিলো সরকার। নিরাপত্তার ইস্যু থাকায় টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে প্রতিবেশি দেশটিতে ক্রিকেট দল না পাঠাতে একেবারে অনড় অবস্থানে থাকা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবার শুটিং দলকে ভারতে এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয়ার অনুমোদন দিয়েছে।
ভারতে ক্রিকেট দল পাঠানোর অনিশ্চয়তার মাঝেই এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ নিয়ে তৎপর ছিল বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন। এ জন্য মন্ত্রণালয়রে সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষাসহ আনুসাঙ্গিক সব কার্যক্রমই গুছিয়ে রেখেছিল ফেডারেশন। এমনকি এই ইস্যু নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা সচিব ও ফেডারেশনের বড় কর্তারা একটি বৈঠকও করেন।
এর আগে গেল ১৯ জানুয়ারি সরকারি আদেশ, চেয়ে মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি আবেদন করে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন। তার প্রেক্ষিতে সার্বিক দিক বিবেচনা করে দুই সদস্যের শুটিং দলের জিও পাশ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
আগামী ২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানে অংশ নেবেন রবিউল ইসলাম। আর তার কোচ হিসেবে যাবেন শারমিন আক্তার। ইভেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় শুরু থেকেই ভারতে দল পাঠাতে আগ্রহী ছিল শুটিং ফেডারেশন। এ জন্য অ্যাথলিটদের নিরাপত্তার যাবতীয় খোঁজ-খবর নিজেদের তরফ থেকেই নেন সংশ্লিষ্টরা। যা নিয়ে আয়োজকদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জিও চেয়ে আবেদন করা হয়।
সম্প্রতি মুস্তাফিজের আইপিএল খেলা ইস্যু নিয়ে সম্পর্ক খারাপ হয় দুই দেশের। পরবর্তীতে এর প্রভাব গিয়ে পড়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপর। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভারতে বিশ্বকাপে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত দেয় সরকার। তবে শুটিং ইনডোর গেম হওয়ায় সেই শঙ্কা নেই বলে ভারতে দল পাঠানোর বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে যায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
আরআই/টিকে