নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ভারতে খেলতে আপত্তি জানিয়েছে ইংল্যান্ড। এমন খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের জিএনএন। জিএনএন এইচডির এক প্রোগ্রামে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপের দেশগুলো ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে চাচ্ছে না। তবে এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ সরিয়ে নেওয়াও কঠিন।
জিএনএন এর আলোচক ও সাংবাদিক বলেছেন, ‘নিয়তে বরকত। ভারতের শুরুতেই নিয়ত ভালো ছিল না। ভাইরাস এসেছে বেঙ্গলে, ঠিক বাংলাদেশেরই কাছে। এখন মনে হচ্ছে ঠিকই পুরো টুর্নামেন্ট শ্রীলঙ্কায় চলে যাবে।
যদিও শ্রীলঙ্কায় সব ম্যাচ আয়োজন কঠিন, বিশেষ করে শেষমুহুর্তে এসে। তার ওপর কয়দিন আগে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি বাদ দিয়েছেই এই যুক্তিতে যে বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তন সম্ভব নয়।
খবরে বলা হয়েছে, ‘ভারত একটি ভাইরাসে আক্রান্ত। তারা যেখানে খেলতে যাচ্ছে সেখানকার অবস্থা ভালো নয়। ইংল্যান্ড খেলতে আপত্তি জানিয়েছে।‘
এমনটি জানিয়ে আরও বলা হয়েছে, ‘টি-২০ বিশ্বকাপ ২০ দলের। ৫৫ ম্যাচের মাত্র ২০টি শ্রীলঙ্কায়, বাকি সব ভারতে। কাজটা তাই কঠিন। আইসিসিকে অনেক ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাংলাদেশকে বলা হলো এখন ভেন্যু পরিবর্তন সম্ভব নয়। এখন হাতে তো আরও বেশি সময় নেই। এখন সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় নেওয়া খুব কঠিন।‘
ভারতে এই প্রাণ হরণের মতো মারাত্মক ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার খবর এখন আর শুধু ভারতের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ব মিডিয়াও ফলাও করে প্রচার করছে এর ভয়াবহতা, ভারতও জানিয়েছে সচেতনতার বার্তা। স্বাস্থ্যকর্মীদের মাস্ক, গগলস থেকে শুরু করে পিপিই পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল থেকে।
বিশ্বকাপের আগে শঙ্কার কথা এখানেই। এত কড়াকড়ি মেনে কি বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব? এদিকে আলজাজিরা ভারতের ভাইরাস পরিস্থিতির খবরে দাবি করছে, করোনার চেয়েও মারাত্মক এই ভাইরাস। আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই ভাইরাসের প্রাণ হারানোর হার ৪০-৭৫ শতাংশের মধ্যে, যা এটিকে করোনাভাইরাসের চেয়ে অনেক বেশি মারাত্মক করে তোলে।’
অনুমিতভাবেই ইংল্যান্ডের মতো সচেতন দেশগুলো এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে পাঠাতে না-ই চাইতে পারে দলকে।
আইকে/টিকে