আবারও শিরোনামে দিশা পাটানি। তবে এবার কোনও ছবি, ফিটনেস বা গ্ল্যামার লুকের জন্য নয়। কিংবা তাঁর চর্চিত প্রেমিকের জন্যেও নয়। আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে অভিনেত্রীর বোন খুশবু পাটানির সঙ্গে তাঁর বয়সের অদ্ভুত ফারাক। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের নজরে পড়তেই শুরু হয়ে যায় কৌতূহলী আলোচনা, সঙ্গে খানিকটা মজা আর বেশ কিছু প্রশ্নচিহ্ন।
গুগলে পাওয়া জন্মতারিখ অনুযায়ী, দিশা পাটানি ও তাঁর বোন খুশবুর বয়সের ফারাক মাত্র ২০৩ দিন, অর্থাৎ মাত্র ছ’মাসের একটু বেশি!
‘এক ভিলেন রিটার্নস’ ছবি খ্যাত অভিনেত্রী দিশা পাটানির জন্ম ১৩ জুন, ১৯৯২, আর খুশবু পাটানির জন্মতারিখ দেখানো হচ্ছে ২৩ নভেম্বর, ১৯৯১। দুই সহোদরার বয়সের এমন সামান্য ফারাক দেখেই নেটদুনিয়া একদিকে যেমন অবাক, তেমনই বিভ্রান্ত।
কেউ প্রশ্ন তুলেছেন তথ্যের সত্যতা নিয়ে, কেউ আবার ভাবছেন, এর নেপথ্যে কি রয়েছে সময়ের আগেই সন্তান জন্মানোর গল্প?একজন নেটিজেন লিখেছেন,“আইরিশ টুইনস সম্ভব, কিন্তু সেখানে বয়সের ফারাক ১০ মাসের মধ্যে হয়। ২০৩ দিন তো অসম্ভব! নিশ্চয়ই এদের মধ্যে কারও জন্মের তারিখবদলানো হয়েছে।”
আরেকজনের যুক্তি,“এত কম বয়সের ফারাক খুব অস্বাভাবিক, যদি না কেউ প্রিম্যাচিওর সন্তান হয়। আমার তুতো ভাই-বোনদের বয়সের ফারাক ১১ মাস, আর একজন একজন ১১ অগাস্ট, আরেকজন ৩০ জুনে জন্মেছিল।” আরও এক জন মন্তব্য করেন,“আইরিশ টুইনস হলেও অন্তত ৯ মাসের গ্যাপ থাকে। এটা তো প্রায় অসম্ভবই। দিশা কি সময়ের আগেই জন্মানো সন্তান ছিল? ”
একজন দিশা-ভক্ত এক্স -এ লিখেছেন,“বয়স কম দেখানোর জন্য জন্মের তারিখ বদলান অনেকেই। গুগলে যেটা আমরা দেখি, সেটা আসল জন্মতারিখ তো নাও হতে পারে।” আরেকজন ব্যাখ্যা দিয়েছেন, “প্রিম্যাচিওর ডেলিভারি হতে পারে। ৭–৮ মাসে ডেলিভারি এখন তো খুবই কমন, তখনও হতো।” কেউ আবার পুরনো সময়ের কথা মনে করিয়ে লিখেছেন,“আগে তো নথিপত্রে এমন ভুল থাকতই।”আর কারও মতে,“নিশ্চয়ই তথ্যের কোথাও গণ্ডগোল আছে।”
তবে কেউ কেউ পুরো বিষয়টাকে নিয়েছেন একেবারে হালকা মেজাজে। একজন লিখেছেন, “অন্য কোনও ব্রম্ভান্ডে-এ সব সম্ভব!” আরেকজনের রসিকতা, “উত্তরটা নামেই আছে, ‘পাটানি’!”
এই নিয়ে যতই আলোচনা চলুক না কেন, এখনও পর্যন্ত দিশা পাটানি বা খুশবু পাটানির কেউই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে বয়সের এই রহস্য আপাতত নেটদুনিয়ার জল্পনাতেই রয়ে গেল।
এবি/টিএ