সোশ্যাল মিডিয়ায় নৃত্যশিল্পী থেকে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন শ্রীনন্দা সরকার। নাচের মঞ্চের বাইরেও জীবনের নানা ছোট মুহূর্ত তিনি তুলে ধরেন ফেসবুকের পাতায়। কখনও হাসি, কখনও ভাবনা, কখনও ব্যক্তিগত অনুভূতি—সব মিলিয়ে তাঁর পোস্টে বরাবরই থাকে জীবনের ছোঁয়া। তবে সম্প্রতি কনটেন্ট ক্রিয়েটর সায়ককে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এনেছে ইনফ্লুয়েন্সারদের সামাজিক দায়িত্ব। ঠিক এই সময়েই শ্রীনন্দার একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা।
ফেসবুকে দেওয়া সেই পোস্টে শ্রীনন্দা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁর পোস্টগুলো তাঁর নিজের জীবন থেকেই উঠে আসে। জীবনের কোন অংশ তিনি শেয়ার করবেন, সেটি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কেউ যদি তাঁর কোনও পোস্ট দেখে এক মুহূর্তের জন্যও হাসে, সেটাকেই তিনি সাফল্য বলে মনে করেন। শ্রীনন্দার কথায়, যতক্ষণ তিনি কাউকে কষ্ট দিচ্ছেন না, কোনও আইন ভাঙছেন না এবং ভালো কিছু ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, ততক্ষণ নেতিবাচক মন্তব্যের কোনও জায়গা নেই তাঁর প্ল্যাটফর্মে। তাঁর কাছে এই জায়গা মানে আনন্দ, শান্তি আর জীবনের দুঃখ থেকে সাময়িক মুক্তি।
পোস্টের শেষে আরও দৃঢ় ভাষায় তিনি জানিয়েছেন, এটাই তাঁর কাজ এবং প্রত্যেকের নিজের কাজের দায়িত্ব নিজেরই। এই বক্তব্যের পর থেকেই অনেকেই মনে করছেন, সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রেক্ষিতেই এমন অবস্থান নিয়েছেন শ্রীনন্দা। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর যদি কারও ক্ষতি না করেন, আইন না ভাঙেন এবং নিজের মতো করে কাজ করেন, তাহলে তা নিয়ে আপত্তির সীমা কোথায়—এই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে নেটপাড়ায়।
উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়াতেই গত বছর নিজের দীর্ঘ বৈবাহিক জীবনের ইতি টানার খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন শ্রীনন্দা। জীবনের সুখ-দুঃখ, ভাঙাগড়া, অনুভূতির ওঠানামা তিনি বরাবরই অকপটে ভাগ করে নিয়েছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। স্পষ্টভাষী এই নৃত্যশিল্পী আগেও নানা সামাজিক বিষয় নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন প্রকাশ্যেই। এবারও তাঁর একটি পোস্ট ঘিরে সমর্থন আর প্রশ্ন—দুই দিকেই জমে উঠেছে আলোচনা।
এসএন