অভিনেতা পৃথ্বীরাজ সুকুমারন সম্প্রতি শেয়ার করেছেন তাঁর চরিত্র কুম্ভা-র ব্যপারে কিছু চমকপ্রদ তথ্য। এসএস রাজামৌলি পরিচালিত এবং মহেশ বাবুর প্রধান ভূমিকায় নির্মিত ‘বরণসী’ ছবিতে পৃথ্বীরাজের চরিত্রকে তিনি বর্ণনা করেছেন “একটি বিপজ্জনক মন যা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী দেহের মধ্যে বন্দি।” অভিনেতা জানিয়েছেন, কুম্ভার হুইলচেয়ার শুধুই সাজসজ্জার অংশ নয়, বরং চরিত্রের ব্যক্তিত্বের এক গভীর বহিঃপ্রকাশ। চরম দৃশ্যে তাঁর অঙ্গগুলি সম্পূর্ণ স্থির রাখার জন্য শারীরিকভাবে সংযম বজায় রাখতে হয়েছে, এমনকি মুখে মশা বসলেও কোনো আন্দোলন হয়নি।
মহেশ বাবুও এক স্মরণীয় মুহূর্তের কথা জানিয়েছেন, যেখানে পৃথ্বীরাজ দীর্ঘ একটি মনোলগের সময় মশার অত্যধিক আক্রমণ সত্ত্বেও একটানা অভিনয় চালিয়ে গিয়েছিলেন। এই দৃঢ়তা ও দায়বদ্ধতা দুই অভিনেতার কাছেই প্রশংসনীয়।
উভয় অভিনেতা রাজামৌলির নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করেছেন, যেখানে অতিরিক্ত গিমিক নয়, বরং ক্লাসিক্যাল এবং সরল চলচ্চিত্রকলার উপর নির্ভর করে তিনি মহাপ্রকল্প পরিচালনা করেন।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নারী প্রধান চরিত্র ও এই ধরনের স্তরযুক্ত চরিত্রগুলো ‘বরণসী’-কে কেবল ভিজ্যুয়ালি মহৎই নয়, মানসিক দিক থেকেও তীব্র এক মহাকাব্যিক অভিজ্ঞতা হিসেবে গড়ে তুলছে।
এমকে/টিকে