বিসিবির আয়োজনে গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হয়েছে অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ। প্রথম ম্যাচে লিটন দাসের দল ধূমকেতুর কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে আকবর আলির দল দুরন্ত। আগে ব্যাট করতে নেমে আকবর-রবিনরা ১৪৪ রানের লক্ষ্য দেয়। যা অধিনায়ক লিটনের হাফসেঞ্চুরিতে ২৩ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়েছে ধূমকেতু।
ম্যাচ শেষে দলটির প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন অধিনায়ক আকবর আলি। হারের কারণ নিজেদের কাঁধে নিয়েছেন তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জিততে পারি (সামনে), এখন হারায় উপভোগের ব্যাপারটা কমে গেছে। কিছু ভুল করেছি, যে কারণে ফল ইতিবাচক আসেনি। ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। আমরাও এক্সাইটেড ছিলাম। অবশ্যই ভালো একটা ফরম্যাট। অবশ্যই তারা (ধূমকেতু) অভিজ্ঞ দল। আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি সেভাবে।’
এই টুর্নামেন্টে রয়েছে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার খেলানোর নিয়ম। যেখানে ব্যাটার জাওয়াদ আবরারকে খেলিয়েছে দুরন্ত একাদশ। এ প্রসঙ্গে আকবর বলেন, ‘একদম প্রথম খেললাম এভাবে। এক্সাইটিং প্রজেক্ট এটা। বিগ ব্যাশ ও আইপিএলে দেখেছি আমরা। অনেকের জন্য প্রথমবার। কিছু কনফিউশন ছিল, তবে ম্যাচের আগে ক্লিয়ার মেসেজ পেয়ে যায় সবাই। ওপেনার হিসেবে জিসান (আলম) এবং (মাহফিজুল ইসলাম) রবিনকে বেছে নিয়েছি আমরা সবাই মিলে। যদি ব্যাটিং কলাপ্স না করত ইকবাল (হোসেন) ইমন ইমপ্যাক্ট হিসেবে নামত বোলার হিসেবে। ১০ ওভারের পর ইকবালকে বলেও রেখেছি হয়তো তুমি বোলিং করবা। কলাপ্সের পর চেঞ্জ করতে হয়েছে, জাওয়াদকে নামাতে হয়েছে।’
২০-২৫ রান কম হয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ধূমকেতু) অবশ্যই আমাদের নিয়ে প্ল্যানিং করেছিল। ফল যা হলো দেখতেই পেলেন। ২ ম্যাচ বাকি আছে, যদি শেষ ম্যাচে জিততে পারি ফাইনাল খেলার সুযোগ আছে, ফরম্যাটটাই এমন। আমার মনে হয় শেষ ম্যাচ পর্যন্ত আমরা চেষ্টা করব। মাঝামাঝি গেলে আমরা আশা করছিলাম ১৬৫-৭০ রান হবে। মাঝে আমরা কিছু উইকেট হারিয়েছি। যখন রান করা দরকার তখন উইকেট হারিয়েছি। সেটা না হলে হয়তো ১৭০-৭৫ রান করতে পারতাম।’
টিজে/টিকে