© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

.......আমার তো কারুকে দুঃখ দেবার কথা নয়

শেয়ার করুন:
.......আমার তো কারুকে  দুঃখ দেবার কথা নয়
ukti-desk
০৬:০১ পিএম | ০৬ মার্চ, ২০১৯

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর (২১ ভাদ্র, ১৩৪১ বঙ্গাব্দ) অধুনা বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার মাইজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘নীললোহিত’, ’সনাতন পাঠক’, ’নীল উপাধ্যায়’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার মাইজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘নীললোহিত’, ‌‘সনাতন পাঠক’, ‘নীল উপাধ্যায়’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই হলো- ‘আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি’, ‘যুগলবন্দী’, ‘হঠাৎ নীরার জন্য’, ‘রাত্রির রঁদেভূ’, ‘শ্যামবাজারের মোড়ের আড্ডা’, ‘অর্ধেক জীবন’, ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’, ‘অর্জুন’, ‘প্রথম আলো’, ‘সেই সময়’, ‘পূর্ব পশ্চিম’, ‘ভানু ও রাণু’, ‘মনের মানুষ’ ইত্যাদি।

এছাড়াও তিনি শিশু সাহিত্যে ‘কাকাবাবু-সন্তু’ নামে এক জনপ্রিয় গোয়েন্দা সিরিজের রচয়িতা।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ২০০২ সালে কলকাতা শহরের শেরিফ নির্বাচিত হন। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ ও ১৯৮৯ সালে আনন্দ পুরস্কার এবং ১৯৮৫ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

তিনি ২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর হৃদযন্ত্রজনিত অসুস্থতার কারণে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তার একটি উক্তি-

“আমি এমনভাবে পা ফেলি, যেন মাটির

বুকেও আঘাত না লাগে। আমার তো কারুকে

দুঃখ দেবার কথা নয়।”

মন্তব্য করুন