© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ গণশিক্ষা উপদেষ্টার

শেয়ার করুন:
সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ গণশিক্ষা উপদেষ্টার

ছবি : সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৩৩ পিএম | ০৮ মার্চ, ২০২৫

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করতে পারলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।


তিনি বলেন, ‘আমরা যারা প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তারা সকলে যদি দায়িত্ব সুন্দরভাবে গুরুত্ব সহকারে পালন করি তাহলে আমরা এগিয়ে যেতে পারি, দেশকে এগিয়ে নিতে পারি।’

আজ শনিবার (৮ মার্চ) কক্সবাজার পিটিআইতে প্রজেক্ট একটিভিটিস এন্ড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘প্রি-প্রাইমারি এন্ড প্রাইমারি এডুকেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট ইন কক্সবাজার এন্ড বান্দরবান ডিস্ট্রিকস এন্ড ভাসানচর অব নোয়াখালী’ প্রজেক্টে স্কুল ফিডিংসহ অন্যান্য কম্পোনেন্ট রয়েছে। সবকিছু মিলে যদি আমাদের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষাটা বাড়ে, তাহলে সেটি জাতীয় আপলিফটে সাহায্য করবে। কারণ তারা তলার বাসিন্দা। তাদের উন্নত করতে পারলে সকলের উন্নয়ন হবে। প্রাইমারি এডুকেশন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। দেশের যে পরিবর্তন হলো- জুলাই গণঅভ্যুত্থান হলো। সেটার মূল কথাটা ছিল বৈষম্য দূরীকরণ।

উপদেষ্টা বলেন, এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো- শিশুরা লম্বা সময় স্কুলে থাকবে, তারা দুপুরে কিছু খাবে, তাদের ক্ষুধা দূর হবে। শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে সেটার কিছুটা রেমিডি হলো আমাদের স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামে ডিম লাগবে, বান লাগবে, কলা লাগবে এই বিষয়গুলো কিন্তু আমাদের প্রাক্টিক্যালি নীড। আমাদের নীড কিন্তু অনেক বেশি।

আর্থিক কারণে অনেকে তার নীড পূরণ করতে পারেনা। কিন্তু নীড যদি অধিক হয় তাহলে এগুলো প্রোডাকশন হবে। ইকোনোমিকে বুস্টআপ করার জন্য কিন্তু প্রজেক্টগুলি কাজে লাগবে। আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে এ ধরনের স্কুল ফিডিং, সেটা উন্নত দেশে যেমন ডাইমেনশন, আমাদের দেশের ডাইমেনশন বহুমাত্রিক। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এটাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। এটাকে শুধু স্কুল ফিডিং হিসেবে প্রতিপাদ্য না করে অর্থনীতির একটি বিশাল ডাইমেনশন হিসেবে ধরা পড়ছে। আশা করি আমরা সেটা করব। ১৫০ উপজেলায় স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম চালু হবে।

প্রকল্প পরিচালক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার সহধর্মিণী ডাক্তার রমা সাহা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট সৈয়দ রাশেদ আল জায়েদ জোস।

এসএম

মন্তব্য করুন