খেলছেন কেবল আইপিএল-টাই। ঘরোয়া আর কোনো ক্রিকেটে এখন নেই মহেন্দ্র সিং ধোনির নাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই বলেছিলেন আরও অনেকটা আগে। বয়স ৪৩। তবু আইপিএল বলেই হয়ত ধোনি এখন পর্যন্ত আস্থা রেখেছেন নিজের বড় শট খেলার সক্ষমতায়। ভরসা রেখেছে তার দল চেন্নাই সুপার কিংসও। শেষ সময়ে বড় শটে দলকে জেতানোর অভ্যাস যে ধোনির সহজাত।
কিন্তু ২০২৩ সালের পর থেকে ধোনিকে ফিনিশার হিসেবে ১০-এ ঠিক কত দেয়া যায়, তা নিয়ে বেশ একটা অঙ্ক করা যেতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে বিগত ২ বছরে ধোনি ভালো খেলেছেন কেবল দলের হার যখন নিশ্চিত হয় তখনই। আর এই সময়ে ধোনি ৭ ম্যাচ খেলেও দলকে রান তাড়া করে জেতাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ২ বছরে চেন্নাই যখন হারের মুখে তখনই ধোনি থাকেন বিধ্বংসী মেজাজে। রান তাড়ায় হেরে যাওয়া ৭ ম্যাচে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ১৭৮ এর বেশি। আর এই ২ বছরে চেন্নাইকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এমন অবস্থায় তার স্ট্রাইকরেট ৩৫ এর কম! অবশ্য ধোনি এই সময়ে ক্রিজে থেকে দলকে জিতিয়েছেন মোটে ৪ ম্যাচ। এই ৪ ম্যাচে তার রান মোটে ৩!
রানতাড়ায় হেরে যাওয়া ৭ ম্যাচে ধোনি করেছেন ১৯৬ রান। গড় ৯৮। স্ট্রাইকরেট ১৯৮.৭৮। আর ম্যাচ জেতানো ৪ ইনিংসে রান ৩। গড় ৩। স্ট্রাইকরেট ৩৩.৩১।
ধোনির দৃষ্টিকটু ব্যাটিংয়ের সবশেষ নমুনা দেখা গিয়েছে আজকে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচে। এদিন দলীয় ৭৪ রানে ৫ উইকেট পতনের পর ক্রিজে আসেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক। ম্যাচের বয়স তখন ১০.৪ ওভার। ২০২৩ সালের পর থেকে এত দ্রুত কখনোই ক্রিজে আসতে হয়নি তাকে।
দিল্লির বিপক্ষে সুযোগ থাকলেও বরং দলকে হারের মুখেই ঠেলেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। ৬ষ্ঠ উইকেটে চেন্নাইয়ের ইতিহাসে রেকর্ড ৮৪ রানের জুটি গড়েন বিজয় শঙ্কর এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে দুজনের ওই জুটিটা ছিল না টি-টোয়েন্টিসুলভ। বরং সেট হয়েও দলকে জেতাতে না পারাটাই আক্ষেপ হয়ে থাকবে চেন্নাইয়ের জন্য।
এমআর/এসএন