• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
অমর্ত্য সেন: দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের বন্ধু

অমর্ত্য সেন: দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের বন্ধু

বিশ্বে যে কয়জন বাঙ্গালিকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তাদেরই একজন অমর্ত্য সেন। তিনি উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও লেখক। অমর্ত্যের নাম শুনেননি এমন বাঙালি হয়তো পাওয়া যাবে না। কারণ তিনি ছিলেন দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের বন্ধু, যিনি দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন। তিনিই মানব উন্নয়ন সূচকের উদ্ভাবক। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক না হয়েও ন্যাশনাল হিউম্যানিটিস মেডালে ভূষিত হয়েছিলেন।

বিস্তারিত
অরুন্ধতী রায়: এক মানবতাবাদী ঔপন্যাসিক

অরুন্ধতী রায়: এক মানবতাবাদী ঔপন্যাসিক

কাছের মানুষেরা তাকে ডাকেন রায় বলে। স্থাপত্যের বন্ধুরা তাকে ডাকেন এস এ রায় (সুজানা অরুন্ধতী রায়) বলে। অপরিচিতদের কাছে তিনি অরুন্ধতী। স্থাপত্যের ছাত্রী অরুন্ধতী প্রথমে ঝুঁকেছিলেন চলচ্চিত্রে। দ্য গড অব স্মল থিংস উপন্যাসের লেখক অরুন্ধতী রায়ের বাবার ভিটা বাংলাদেশের বরিশালে। ১৯৮৫ সালে ‘মাসি সাহিব’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। পরে চিত্রনাট্য লিখতে শুরু করেন। তার চিত্রনাট্য ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পায়।  প্রথম উপন্যাস ‘দ্য গড অব স্মল থিংস’ এর জন্য ১৯৯৭ সালে ম্যান বুকার পুরস্কার পান অরুন্ধতী। তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব দ্য আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থানের কট্টর সমালোচক অরুন্ধতী মাওবাদী আন্দোলন নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের বড় একটি অংশের সঙ্গে বাহাসে জড়িয়ে ‘ভারতবিরোধী’ আখ্যা পান।

বিস্তারিত
জগদীশ চন্দ্র বসু: বাংলার আইনস্টাইন

জগদীশ চন্দ্র বসু: বাংলার আইনস্টাইন

বিশ্বে যে কয়জন বাঙ্গালিকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তাদের একজন স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু। তিনি একাধারে একজন পদার্থবিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী ও ভারতের প্রথম সারির একজন সায়েন্স ফিকশন রচয়িতা। লেখাপড়া করেছেন অথচ জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম শুনেন নি এমন বাঙালি হয়তো পাওয়া যাবে না। সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা জেনে এসেছি যে, তিনিই প্রথম উদ্ভিদের মধ্যে প্রাণের উপস্থিতি আবিষ্কার করেছিলেন।

বিস্তারিত
হাজী শরীয়তুল্লাহ : সমাজ সংস্কারক ও সংগঠক

হাজী শরীয়তুল্লাহ : সমাজ সংস্কারক ও সংগঠক

হাজী শরীয়তুল্লাহ, বাংলার একজন বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক, সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী। ইসলাম ধর্মের নামে বাংলার সমাজে প্রচলিত নানা কর্মকাণ্ড সংস্কারের উদ্দেশ্যে উনিশ শতকের শুরুর দিকে তিনি ঐতিহাসিক ফরায়েজী আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ইংরেজ ও নীলকরদের কর্তৃক নিপীড়নের শিকার বাংলার কৃষকদের মুক্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অন্যতম পথপ্রদর্শক।

বিস্তারিত
সত্যজিৎ রায়: অস্কারজয়ী প্রথম বাঙালি

সত্যজিৎ রায়: অস্কারজয়ী প্রথম বাঙালি

সত্যজিৎ রায়, একজন শ্রেষ্ঠ বাঙালি চলচ্চিত্রকার। তিনি একাধারে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, শিল্প নির্দেশক ও সঙ্গীত পরিচালক। যে কয়জন ব্যক্তিত্বের হাত ধরে বাংলা চলচ্চিত্র বিশ্ব দরবারে পরিচিত পেয়েছে, তিনি তাদের একজন। কেবল বাঙালি হিসেবেই নয়, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকারদের একজন।

বিস্তারিত
টিপু সুলতান: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ

টিপু সুলতান: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়। ইংরেজরা কেবল বাংলা দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি। দখলদার এই সাম্রাজ্যবাদীরা পুরো ভারতবর্ষ দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। আর তাদের সেই স্বপ্নের পথে যিনি সবচেয়ে বড় কাটা হয়ে ছিলেন, তিনি হলেন মহীশুরের শাসনকর্তা টিপু সুলতান।

বিস্তারিত
আজিজুল হক: আঙ্গুলের ছাপ উদ্ভাবনকারী বাঙালি

আজিজুল হক: আঙ্গুলের ছাপ উদ্ভাবনকারী বাঙালি

ব্যক্তি সনাক্তকরণে বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি হল ফিঙ্গার প্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ)। আমাদের অনেকই জানি না যে, এই অভূতপূর্ব উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছে এক সাধারণ বাঙ্গালির নাম। তিনি হলেন খান বাহাদুর কাজি আজিজুল হক। ১৮৯৭ সালে ব্রিটিশ কর্মকর্তা স্যার এডওয়ার্ড রিকার্ড হ্যানরির তত্ত্বাবধানে কাজ করার সময় তিনি আঙ্গুলের ছাপের গাণিতিক শ্রেণিবিন্যাস উদ্ভাবন করেছিলেন।

বিস্তারিত
প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী

১৯৫২ সালে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন আনিসুল হক । শৈশবের বেশ বড় একটা সময় পার করেন ফেনী জেলার সোনাগাজীর আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে তার নানা বাড়ীতে।

বিস্তারিত
রবার্ট পিল: আধুনিক পুলিশের জনক

রবার্ট পিল: আধুনিক পুলিশের জনক

স্যার রবার্ট পিল। একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক রাষ্ট্রনেতা। ১৮৩৪-৩৫ এবং ১৮৪১-৪৬ দুই মেয়াদে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এছাড়া ১৮২২-৩০ মেয়াদে তিনি দুইবার ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ছিলেন ব্রিটেনের আধুনিক কনজার্ভেটিভ পার্টির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম একজন। তাকে বলা হয় ‘আধুনিক পুলিশের জনক’।

বিস্তারিত
মেরি কুরি: দুইবার নোবেল জয়ী এক সংগ্রামী নারী

মেরি কুরি: দুইবার নোবেল জয়ী এক সংগ্রামী নারী

মেরি কুরি। ইতিহাসের এক বিস্ময়কর নারীর নাম। যার সংগ্রামী জীবনের গল্প ও সফলতা নিয়ে রচিত হয়েছে বিজ্ঞানের ইতিহাস। ইতিহাসের পাতায় যার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য সম্মাননার পালক। তিনিই নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী। শুধু তাই নয়, তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য যাকে যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে বিশ্ব।

বিস্তারিত