আইএলটি-টোয়েন্টির ফাইনালে এমআই এমিরেটসকে ৪৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ডেজার্ট ভাইপার্স। আগে ব্যাট করা ভাইপার্সের হয়ে অপরাজিত ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন অধিনায়ক স্যাম কারান। বল হাতে এদিন উইকেটশূন্য ছিলেন সাকিব। জবাবে সাকিবের ৩৬ রানের পরও বাকিদের ব্যর্থতায় জয় বঞ্চিত হয় এমআই এমিরেটস।
টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় এমআই এমিরেটস। প্রথম ওভারেই বোলিংয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। উইকেটশূন্য ওভারে ১০ রান খরচ করেন এই তারকা। উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় ডেজার্ট ভাইপার্স। জেসন রয়কে ফিরিয়ে ৩৫ রানের জুটি ভাঙেন ফজল হক ফারুকী। একই ওভারে ২০ রান করা ফখর জামানকে সাজঘরে ফেরান এই আফগান পেসার।
এরপর ৮৯ রানের জুটি গড়েন ম্যাক্স হোল্ডেন ও স্যাম কারান। ৩২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৪১ রান করেন ম্যাক্স হোল্ডেন। এরপর ফিফটির দেখা পান স্যাম কারান। এরপর ড্যান লরেন্সকে নিয়ে ঝড় তোলেন কারান। রোমারিও শেফার্ডের এক ওভারেই ২১ রান তোলেন তারা। দুই জনে চতুর্থ উইকেট জুটিতে তোলেন ৩৩ বলে ৫৭রান। এতে ভর করেই নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে ডেজার্ট ভাইপার্স।
কারান অপরাজিত ছিলেন বলে চার ও ছক্কায় রান করে, লরেন্সের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ২৩ রান।
রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৬ রান তোলেন মুহাম্মদ ওয়াসিম ও আন্দ্রে ফ্লেচার। ফ্লেচারকে আউট করে জুটি ভাঙেন নাসিম শাহ। এই পেসারের দ্বিতীয় শিকার হন টম ব্যান্টন। দুই উইকেট পতনের পর ক্রিজে আসেন সাকিব।
তবে ১৩ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওয়াসিম। ভালো করতে পারেননি সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি। এরপর পোলার্ডকে সাথে নিয়ে এগোতে থাকেন সাকিব। ডেভিড পেইনকে বাউন্ডারি হাঁকান এই তারকা। একই বোলারকে নিজের দ্বিতীয় বাউন্ডারি হাঁকান সাকিব। পরবর্তীতে আরো এক বাউন্ডারি হাঁকান এই তারকা।
তবে আস্কিং রানরেটের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন সাকিব। ২৭ বলে তিন চারে ৩৬ রান করেন এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। এরপরই সাজঘরে ফেরেন ২৮ বলে ২৮ রান করা কাইরন পোলার্ড।এরপর বাকিরা চেষ্টা করলেও হারের ব্যবধানই কেবল কমেছে।
শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানে অলআউট হয় এমআই এমিরেটস।
এমআর/টিএ