‘অ্যাভাটার : ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রে আয় করেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭.১ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১.০৮৩ বিলিয়ন ডলার।
তবে আগের দুইটি ‘অ্যাভাটার’ ছবির তুলনায় তৃতীয় কিস্তিটি ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁতে একটু বেশি সময় নিয়েছে।
২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ মাত্র ১৪ দিনে এই আয়ে পৌঁছেছিল, আর ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ পৌঁছেছিল ১৭ দিনে।
আগের দুটি ছবিই দীর্ঘ সময় ধরে বক্স অফিসে শীর্ষে ছিল এবং পরে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল সিনেমার তালিকায় জায়গা করে নেয়। প্রথম অ্যাভাটার বিশ্বব্যাপী প্রায় ২.৯ বিলিয়ন ডলার এবং দ্বিতীয়টি প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ‘অ্যাভাটার ৩’ কি ২ বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে? এই লক্ষ্য পূরণে ছবিটিকে অনেকটাই আন্তর্জাতিক দর্শকদের ওপর নির্ভর করতে হবে।
কারণ আগের দুটি ছবির বড় অংশের আয় এসেছে বিদেশি বাজার থেকে। বর্তমানে শীর্ষ বিদেশি বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন (১৩৮ মিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (৮১ মিলিয়ন), জার্মানি (৬৪ মিলিয়ন) ও কোরিয়া (৪৪ মিলিয়ন)।
এই সিনেমাটি ২০২৫ সালে ডিজনির তৃতীয় ছবি, যা ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ‘জুটোপিয়া ২’ একই সাফল্য পায়।
কোভিড-পরবর্তী সময়ে ডিজনির জন্য এটি একটি সফল বছর, যেখানে স্টুডিওটি বিশ্বব্যাপী মোট ৬.৫৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।
‘ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ছবির গল্প জ্যাক সুলি, নেইতিরি এবং তাদের পরিবারকে ঘিরে, যারা এবার এক নতুন ও ভয়ংকর শত্রুর মুখোমুখি হয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন জেমস ক্যামেরন। এটি তার চতুর্থ সিনেমা, যা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এর মধ্যে ‘টাইটানিক’ও রয়েছে।
জেমস ক্যামেরন এখন পর্যন্ত একমাত্র পরিচালক, যার তিনটি সিনেমা ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। তিনি মোট পাঁচটি অ্যাভাটার ছবি বানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে ভবিষ্যতে ‘অ্যাভাটার ৪’ ও ‘অ্যাভাটার ৫’ হবে কিনা, তা নির্ভর করছে এই ছবির বাণিজ্যিক সাফল্যের ওপর।
ক্যামেরন বলেন, আগে দেখতে হবে এই ছবিটি আমাদের জন্য কতটা লাভজনক হয়। প্রতিবারই আমাদের প্রমাণ করতে হয়, এই বড় বাজেটের সিনেমাগুলো এখনও দর্শক টানতে পারে।
সূত্র: ভ্যারাইটি
এসকে/টিকে