জানুয়ারির মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। অন্যথায় সর্বাত্মক কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
বাংলা একাডেমি, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনশনে উপস্থিত ছিলেন। তাদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দল পে-স্কেলের বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এজন্য বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে যেতে হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের মুখপাত্র আব্দুল মালেক বলেন, ‘গত ১০ বছরে দুটি পে-স্কেল আমাদের প্রাপ্য ছিল। কিন্তু আমরা কিছুই পাইনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে কষ্টে জীবনযাপন করছি। এমন অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই পে-স্কেল দিয়ে যেতে হবে। তা জানুয়ারি মাসের মধ্যেই করতে হবে। দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। তখন এর দায় কাউকে দেয়া যাবে না।’
দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ক্ষুধার জ্বালা কোনো আইন মানে না। কর্মচারীরা ধৈর্যহীন হয়ে পড়লে কোনো আইন দিয়ে তাদের বেঁধে রাখা যাবে না।’
এদিকে বিকেলে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধৈর্য ধরতে হবে। পে-স্কেল নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।