আগামী জুনে শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। যার উত্তাপ ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। তার আগে গত বুধবার বাংলাদেশ সফর করে গেছে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি। যা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। তারা না পারলেও আগামী প্রজন্ম ঠিকই একদিন বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে নেবে বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এবার বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার খোদ সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও দারুণ আশার এক মন্তব্য করেছেন। যা শুনলে হয়তো আপনিও অবাক হতে পারেন। হ্যাঁ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ইনফান্তিনোর কাছে তাঁর এক অনুসারী প্রশ্ন রাখেন; বাংলাদেশ কি কখনো বিশ্বকাপ খেলবে।
সেই প্রশ্নর উত্তর দিয়েছেন আজ। এক পোস্টে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘অবশ্যই, বাংলাদেশ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশগুলো যাতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে, সেটাই ফিফার লক্ষ্য। আগামী বছরের বিশ্বকাপে আমাদের বেশ কয়েকটি নবাগত দল রয়েছে যারা আগে কখনো অংশ নেয়নি। আমাদের এখানে আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দ, কনক্যাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও রয়েছে। আমাদের এখানে উজবেকিস্তান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে এবং জর্ডান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে।’
বাংলাদেশকে নিয়ে কেন আশা দেখছেন ফিফা বস? তার যুক্তিও দেখিয়েছেন তিনি। ইনফান্তিনো বলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবলের দারুণ এক দেশ, যেখানে ফুটবল বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তাদের অবশ্যই একটি সুযোগ আছে। বাংলাদেশ ফুটবল ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বেড়ে উঠতে ফিফা প্রচুর বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব জায়গায় প্রতিভা রয়েছে এবং আমরা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখার অপেক্ষায় আছি।’
ফিফা সভাপতির এমন মন্তব্য কী আসলে কখনও বাস্তবতার মুখ দেখবে? তার উত্তর কেবলই বলতে পারবে সময়। তবে পরিসংখ্যান বলে বিশ্বকাপ তো দূরের কথা বাংলাদেশ এশিয়ার সর্বোচ্চ মঞ্চেই যেতে পেরেছে কেবলমাত্র একবার। তাও আবার সেই ১৯৮০ সালে। এবারের এশিয়ান কাপ বাছাই নিয়েও দেশের কোটি-কোটি ভক্ত-অনুরাগীর প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বি। কিন্তু হামজা চৌধুরী, শমিত শোমদের মতো প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়েও সেই আশা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তারপরও মানুষ বাঁচে আশায়।
আইকে/টিকে