রায়পুর বিমানবন্দরে নামার পরই শুরু হয় বিভ্রাট। প্রীতি বিশ্বাস নিজেই আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, শুধু তাঁদের নয়, আরও অনেক যাত্রীর ব্যাগ কলকাতা বিমানবন্দরেই আটকে যায়। বিমানসংস্থার তরফে আগে থেকে কোনও সতর্কবার্তা বা তথ্য দেওয়া হয়নি, ফলে বিষয়টি তাঁদের কাছে ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হয় তাঁদের শিশুকন্যাকে নিয়ে, কারণ তার খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সবই ছিল সেই লাগেজের মধ্যে।
তারকা দম্পতির জন্য বিষয়টি শুধু অসুবিধাই নয়, যথেষ্ট মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অপরিচিত শহরে, প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়াই আটকে পড়া এবং ছোট শিশুর দেখভাল করা একসঙ্গে সামলাতে হয়েছে তাঁদের। তবু পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন রাহুল ও প্রীতি, যদিও এই অভিজ্ঞতা যে মোটেও সুখকর ছিল না, তা তাঁদের কথাতেই স্পষ্ট।
এদিকে কাজের ময়দানে রাহুলের ব্যস্ততা তুঙ্গে। সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগে যিশু সেনগুপ্তের নেতৃত্বে বাংলার দলে খেলছেন তিনি, যা নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ বরাবরই প্রবল। ছোটপর্দায় তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছিল অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে, আর তার আগে হরগৌরী পাইস হোটেলে তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছিল। সম্প্রতি জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক সাত পাকে বাঁধা-র প্রোমো প্রকাশ পেলেও পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়, যা নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে প্রীতি বিশ্বাস বর্তমানে সন্তান জন্মের পর অভিনয় থেকে বিরতিতে রয়েছেন, পুরোপুরি মন দিয়েছেন পরিবারের দিকে। কাজ, খেলা আর পারিবারিক দায়িত্ব এই তিনের মাঝেই বিমানবন্দরের এই বিপত্তি যেন রাহুল প্রীতির জীবনে হঠাৎ ঝড় হয়ে এল।
পিআর/টিকে