পারফরম্যান্সে নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে না পারলেও, কাঙ্ক্ষিত জয় ঠিকই পেল লিভারপুল। মার্সেইকে হারিয়ে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল আর্না স্লটের দল।
ফ্রান্সের ক্লাবটির মাঠে বুধবার রাতে ৩-০ গোলে জিতেছে লিভারপুল। প্রথমার্ধে দমিনিক সোবোসলাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিকরা আত্মঘাতীয় হওয়ার পর, শেষদিকে ব্যবধান বাড়ান কোডি হাকপো।
প্রিমিয়ার লিগে টানা চার ম্যাচ ড্র করলেও, ইউরোপ সেরার মঞ্চে টানা দ্বিতীয় জয় পেল ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা। সাত ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে তারা। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে রেয়াল মাদ্রিদ। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে বায়ার্ন মিউনিখ। আর শীর্ষে শতভাগ সফল আর্সেনালের পয়েন্ট ২১।
ধীর গতির ফুটবলে ১৯তম মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ পেয়ে যায় লিভারপুল। ডি-বক্সে থেকে আলেক্সিস মাক আলিস্তেরের কোনাকুনি শটে যদিও বল পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। চার মিনিট পর ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে জালে বল পাঠান উগো একিটিকে। কিন্তু এই ফরাসি ফরোয়ার্ড অফসাইডে থাকায় গোল পায়নি লিভারপুল। একটু পর পাল্টা আক্রমণে লক্ষ্যে ম্যাচের প্রথম শটটি নেন মার্সেই ফরোয়ার্ড আমিনে ফেরিদ, সেটি ঝাঁপিয়ে আটকে দেন আলিসন।
বিরতির এক মিনিট আগে সোবোসলাইয়ের বুদ্ধিদীপ্ত গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নিচু ফ্রি কিক নেন হাঙ্গেরির ফরোয়ার্ড, সামনে রক্ষণ প্রাচীরের সবাই লাফিয়ে উঠলে তাদের নিচে দিয়ে বল ঠিকানা খুঁজে পায়।
৫৯তম মিনিটে আবারও গোল পাওয়ার খুব কাছাকাছি যান একিটিকে; কিন্তু এবার ভাগ্য তার সহায় হয়নি। তার জোরাল শট পোস্টে বাধা পায়। ওখান থেকে দ্রুত প্রতি-আক্রমণে উঠে বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শট নেন ত্রাওরে, ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল উড়ে যায়।
৭২তম মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে আরও পিছিয়ে পড়ে মার্সেই। ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে, বাইলাইনের কাছ থেকে গোলমুখে সতীর্থের উদ্দেশে পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন ইয়েরেমি ফ্রিমপং; কিন্তু বল গোলরক্ষকের পায়ে লেগে গোললাইন পেরিয়ে যায়।
আফ্রিকান নেশন্স কাপ খেলে এই ম্যাচ দিয়েই দলে ফেরা মোহামেদ সালাহ ৮৩তম মিনিটে গোলরক্ষককে এক পেয়েছিলেন, কিন্তু শট লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি তিনি। একিটিকের বদলি নামা হাকপো যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
এসএস/টিএ