ওপার বাংলার অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘ অভিনয় জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পদ্ম প্রাপকদের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন ‘মিস্টার ইন্ডাস্ট্রি’।
তবে এই বিশাল প্রাপ্তির মুহূর্তে ভীষণ বিনয়ী ও আবেগপ্রবণ দেখালো তাকে। বিশেষ করে নিজের মা এবং অকালপ্রয়াত বন্ধু-পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের কথা বলতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন তিনি।
সম্মান প্রাপ্তির পর প্রসেনজিৎ বলেন, ‘ভারত সরকারকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে এই সম্মানের যোগ্য মনে করার জন্য। তবে এই প্রাপ্তি শুধু আমার একার নয়। গত ৪০ বছরে আমার সাথে কাজ করা পরিচালক, টেকনিশিয়ান, প্রযোজক থেকে শুরু করে সহ-অভিনেত্রীরাও এর সমান অংশীদার। তারা না থাকলে আমি আজকের প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় হতে পারতাম না।’
নিজের একান্ত ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা থেকে তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমার ছেলে মিশুককে খুব মিস করছি। আর সবথেকে বেশি মনে পড়ছে মাকে। যাকে ছাড়া আমি প্রসেনজিৎ হতে পারতাম না।’
‘পাশাপাশি আমার বন্ধু ঋতুপর্ণ ঘোষের অভাব আজ তীব্রভাবে অনুভব করছি। আমার ভেতরে যে একজন অন্য ধারার অভিনেতা লুকিয়ে আছে, তা তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন। ঋতু আজ বেঁচে থাকলে হয়তো সবচেয়ে বেশি খুশি হতো।’
উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে প্রসেনজিতের যাত্রা শুরু। তবে ‘অমর সঙ্গী’ ছবির অভাবনীয় সাফল্য তাকে টলিউডের সিংহাসনে বসিয়ে দেয়।
পিএ/টিকে