বর্তমান প্রজন্মের প্রিয় র্যাপার বাদশা একসময় ছিলেন সরকারি চাকরির ইঞ্জিনিয়ার। চণ্ডীগড়ের একটি কলেজ থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে পেশায় তিনি নিয়োগ পান, কিন্তু চাকরিতে মন বসত না। প্রতিদিন হেলমেট পরে সাইটে যাতায়াত, কাগজপত্র ও একঘেয়ে কাজ সবকিছুই বাদশার জন্য এক ধরনের অপ্রিয় অভ্যাসে পরিণত হয়।
তিনি নিজে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, জীবনে তিনি সবসময়ই র্যাপারের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু প্রথমে পরিবার তাঁর সিদ্ধান্ত বুঝতে পারছিল না। বাবা-মা প্রথমে বলেছিলেন, “আগে বড় হয়ে যাও, তারপর যা মন চায় তা করো।” র্যাপ কী, তা বোঝানোর জন্য তিনি ভিডিওসহ উদাহরণ দেখান, কিন্তু পরিবারের সমর্থন পাওয়া সহজ হয়নি। তারপরও বাদশা তাঁর ইচ্ছার পক্ষে দাঁড়ান এবং প্রতিদিন অনুশীলন চালিয়ে যান।
২০০৬ সালে 'সোডা হুইস্কি' র্যাপ গান দিয়ে তিনি প্রথম সুযোগ পান। এরপর তিনি কখনও পেছনে ফিরে তাকাননি। 'গেন্দা ফুল', 'কালা চশমা', 'পানি পানি'-র মতো র্যাপ গান দিয়ে বাদশা আজ দেশের নতুন প্রজন্মকে মাতিয়ে রেখেছেন। কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগ তাকে আজকের সফল র্যাপার করে তুলেছে।
পিআর/টিকে