টলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে র সম্পর্কের সমীকরণ। জনপ্রিয় ধারাবাহিক কথা তে অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে দর্শকের মন জয় করার পর বাস্তব জীবনেও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে গুঞ্জন, আগামী ২০২৬ সালেই নাকি চার হাত এক হতে পারে এই দুই তারকার। যদিও এই সব আলোচনা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ দুজনেই।
এই সপ্তাহে সুস্মিতার জন্মদিন ঘিরে নতুন করে চর্চা বেড়েছে। জন্মদিনে সাহেব সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়ে সুস্মিতাকে শুভেচ্ছা জানান। সেখানে তিনি লিখেছেন, আজীবন তিনি সুস্মিতার ঢাল হয়ে থাকবেন। এই কথাই অনুরাগীদের মন ছুঁয়ে গেছে। তবে বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সুস্মিতার সাফ জবাব, এই জন্মদিনে তিনি মাত্র আটাশ বছরে পা রেখেছেন এবং এখনই বিয়ের কোনও তাড়া নেই। পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনও চাপ নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে আলোচনায় এসেছে সাহেবের বয়সও। তথ্য অনুযায়ী, তাঁর জন্ম উনিশশো পঁচাশি সালের সতেরো নভেম্বর। অর্থাৎ বর্তমানে তাঁর বয়স প্রায় চল্লিশ বছর। সেই হিসেবে সুস্মিতার সঙ্গে তাঁর বয়সের ফারাক প্রায় বারো বছর। যদিও টলিউডে এই বয়সের ব্যবধান নতুন কিছু নয়। সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাহেব বরাবরই সুস্মিতাকে আগলে রাখেন, যার জন্য অনুরাগীদের কাছে তিনি যেন নায়িকার রক্ষাকর্তা।
অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, একসময় মডেল সোনিকা চৌহানের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সাহেব। দুহাজার সতেরো সালে এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় সোনিকার মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর দীর্ঘদিন সাহেবের জীবনে আর কারও নাম বিশেষভাবে শোনা যায়নি। আজও সোনিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন তিনি।
অন্যদিকে, সুস্মিতার জীবনেও একসময় আসে বড় ধাক্কা। প্রায় পাঁচ বছরের সম্পর্ক ছিল অনির্বাণ রায়ের সঙ্গে। বাগদানের পর একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনাও করেছিলেন তাঁরা। তবে আচমকাই বিচ্ছেদের ঘোষণা আসে সামাজিক মাধ্যমে। কেন সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়, তা নিয়ে আজও নীরব রয়েছেন দুজনেই।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সাহেব ও সুস্মিতার সম্পর্কে প্রেম আছে, বোঝাপড়াও আছে। তবে বিয়ের ঘণ্টা ঠিক কবে বাজবে, তার উত্তর আপাতত সময়ের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন দুজন।
ইউটি/টিএ