শঙ্কা ফুরিয়ে গেছে, তবে আশঙ্কা কাটেনি। ২৪ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া তামিম ইকবাল এখন সুস্থ আছেন। তবে প্রায় ২ সপ্তাহ হয়ে গেলেও আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। তামিমের চাচা আকরাম খান জানিয়েছিলেন, এই চিন্তা দূর করতেই ঈদের পর বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নেবেন তারা, পরিবারের সিদ্ধান্ত আসলেই যাবেন থাইল্যান্ড কিংবা সিঙ্গাপুরে। তবে তামিমকে বিদেশ নিয়ে যাওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি তার পরিবার।
তামিমের চাচা ও বিসিবির পরিচালক আকরাম খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তামিমের শরীরের অবস্থার গত কয়েক দিনে অনেকটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। ঈদের আগে অবশ্য তামিমের চাচা জানিয়েছিলেন, তামিমের অসুস্থতা নিয়ে তারা কোনো শঙ্কা রাখতে চান না। তাই সিঙ্গাপুর অথবা থাইল্যান্ডের ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তবে তামিমকে উন্নত চিকিৎসা দিতে কবে নাগাদ বিদেশ নেওয়া হবে, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। এ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু বলতে পারেননি আকরাম খানও।
ডিপিএল চলাকালে ঈদের আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম। ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফেরেন। পরে জানা যায়, ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। হার্টে ব্লক ধরা পরেছে। পরানো হয় রিং। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তামিমের শরীরের অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও আছেন পর্যবেক্ষণে।
এত বড় অসুস্থতার পর স্বাভাবিকভাবেই তামিম ছিটকে গেছেন মাঠের বাইরে। জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ককে খেলায় ফিরতে অপেক্ষা করতে হবে কমপক্ষে তিন মাস। চিকিৎসক যদি মনে করেন, তামিম ফিট তবেই খেলতে পারবেন। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডপ্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেছিলেন, ‘ক্রিকেটে তিনি ফিরবেন কি না, সেটা তিন-চার মাস পর কার্ডিয়াক টিম ও ফিজিওরা তামিমের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার পর বলতে পারবে।’
তামিমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরি। তিনি জানিয়েছেন, আশঙ্কা মুক্ত হলেও তামিম এখনও সম্পূর্ণ বিশ্রামে আছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ীই বাড়িতে অবস্থান করছেন এই ক্রিকেটার। তবে স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করতে পারছেন।
এফপি/এসএন