গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের পর থেকে গাজায় ফের ব্যাপক হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েল। সেই দিন থেকে প্রতিদিনই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গড়ে ১০০ শিশুর মৃত্যু বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
গতকাল শনিবার (৫ এপ্রিল) জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক ত্রাণ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
সংস্থাটির প্রধান ফিলিপ লাজ্জারানি মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে বলেছেন, “কোনো কিছু শিশুদের হত্যাকে বৈধতা দেয় না। ইসরায়েল অবরুদ্ধ অঞ্চলটিকে শিশুদের জন্য ‘নো ল্যান্ডে’ পরিণত করেছে। ছোট জীবন এমন যুদ্ধে সীমিত হচ্ছে যেটি শিশুরা তৈরি করেনি। এটি আমাদের সাধারণ মানবতার ওপর কলঙ্ক।”
যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের পর প্রতিদিন দখলদার ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করে যাচ্ছে। তারা কোনো দায় ছাড়াই স্কুল, আশ্রয় কেন্দ্র, তাঁবু, অস্থায়ী শরণার্থী ক্যাম্প এবং হাসপাতালে হামলা চালাচ্ছে।
গাজার এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে দখলদাররা হামলা চালায়নি। অবরুদ্ধ এ উপত্যকার প্রতিটি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হামলা তারা প্রতিদিনই চালাচ্ছে।
গতকাল শনিবার দখলদাররা গাজায় আরও ২৯ জনকে হত্যা করেছে। এরমাধ্যমে সেখানে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৫০ হাজার ৬০০ অতিক্রম করেছে। অবশ্য জাতিসংঘের ত্রাণবিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১৯ লাখ মানুষ। যারা অনিরাপদ ও খোলা জায়গায় বসবাস করেছেন।
দখলদার ইসরায়েল এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। ফলে সেখানে কোনো পণ্যই প্রবেশ করছে না। এতে করে গাজার মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ার শঙ্কায় পড়েছেন।
আরএ