• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ০৭ জুন ২০২০, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গান্ধী পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নিল বিজেপি

গান্ধী পরিবারের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নিল বিজেপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক০৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৬পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

ভারতের গান্ধী পরিবারের সদস্যদের দেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা তুলে নিয়েছে বিজেপি। এত দিন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি) ক্যাটাগরিতে নিরাপত্তা পেতেন। তার বদলে এখন থেকে শুধু জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পাবেন তারা। শুক্রবার রাতে গান্ধী পরিবারকে দেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

এনডিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেছে কংগ্রেসে নেতাকর্মীরা।

এক কংগ্রেস কর্মী নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া নিয়ে বলেন, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর জীবন নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। কীসের ভিত্তিতে তারা এটা করল।

১৯৯১ সালে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধি হত্যার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তা বলয় পান তারা।

গান্ধি পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, তাদের এ বিষয়ে জানানো হয়নি। গণমাধ্যমের খবর থেকে তারা এসপিজি তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ের অর্থ গান্ধী পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সঙ্গে থাকবেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ১০০ জন জওয়ান।

এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় যারা রয়েছেন, প্রতিবছরই তাদের ওপর হামলার আশঙ্কা কতটা রয়েছে, তা পর্যালোচনা করে দেখা হয়। গান্ধী পরিবারের ওপর হামলার আশঙ্কা অনেকটাই কমে গেছে বলে সম্প্রতি দেখা গেছে। তাই এসপিজি নিরাপত্তার বদলে অন্য বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী বলেছেন, ‘বিজেপি তাদের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। জঙ্গি হানা ও হিংসা থেকে দুইজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের জীবনের বিষয়ে তারা আপস করছে।’

আততায়ীদের হাতে ইন্দিরা গান্ধী খুন হওয়ার পর ১৯৮৫ সালে বিশেষ প্রশিক্ষিত বাহিনীর ৩০০০ জওয়ান নিয়ে গঠিত হয় এসপিজি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে। ১৯৯১ সালে গান্ধী পরিবার থেকেই আবার রাজীব গান্ধীর খুন হলে বদল আনা হয় ওই আইনে।

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের সদস্যদের জন্যও এসপিজি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। ২০০৩ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে আবার ওই আইনে বদল ঘটিয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষেত্রে এসপিজি নিরাপত্তার মেয়াদ ১০ থেকে কমিয়ে ১ বছর করা হয়। তবে হামলার আশঙ্কা পর্যালোচনা করে বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা রাখা হয় সেই সময়।

 

টাইমস/এসআই

একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৫ হাজার ছাড়াল

একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, আক্রান্ত ৬৫ হাজার ছাড়াল

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত মন্ত্রীকে ঢাকায় আনা হল হেলিকপ্টারে

করোনায় আক্রান্ত মন্ত্রীকে ঢাকায় আনা হল হেলিকপ্টারে

এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন পাবর্ত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

ঘরে বসেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মাসিক বেতন ৮৬ হাজার টাকা!

ঘরে বসেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মাসিক বেতন ৮৬ হাজার টাকা!

ঘরে বসেই ৮৬ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের

জাতীয়

করোনাভাইরাসে আরেক শিল্পপতি আজমত মঈনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আরেক শিল্পপতি আজমত মঈনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেশের আরেক শিল্পপতি আজমত মঈন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি

জাতীয়

নেত্রকোনায় বিছানায় স্ত্রী, ঘরে ঝুলছিল স্বামীর লাশ

নেত্রকোনায় বিছানায় স্ত্রী, ঘরে ঝুলছিল স্বামীর লাশ

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় শোয়ার ঘরের বিছানা থেকে স্ত্রী এবং ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় স্বামীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার বেলা সোয়া ১২টার দিকে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের দরিজাগি গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বাস্থ্য

আয়রন সমৃদ্ধ সাতটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

আয়রন সমৃদ্ধ সাতটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন

আমাদের দেহ সুস্থ রাখতে এবং দেহের বিভিন্ন দরকারি জৈবিক কার্য সম্পাদন করতে আয়রন অতি প্রয়োজনীয় একটি খনিজ। এটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের জন্য হিমোগ্লোবিনকে সর্বোত্তম কার্য সম্পাদন করতে সহায়তা করে। রক্তাল্পতার অন্যতম প্রধান কারণ আয়রনের ঘাটতি। দেহের লোহিত রক্তকণিকায় আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলে কোষগুলিতে অক্সিজেনের পরিবহণ ব্যাহত হয়।

স্বাস্থ্য

উচ্চ রক্তচাপের রোগীর করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি

উচ্চ রক্তচাপের রোগীর করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি

উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভোগা করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল টিম অব রিসার্চারের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন চীনের জিজিয়াং হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ফেই লি এবং লিং তাও। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানের ২ হাজার ৮৬৬ জন রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে তারা এমন দাবি করেন।

স্বাস্থ্য

ঘরবন্দি শিশুদের মানসিকতায় পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

ঘরবন্দি শিশুদের মানসিকতায় পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ এখন ঘরবন্দি। শিশু-কিশোরদেরও বন্দিদশা। স্কুল-কলেজ বন্ধ। বাইরে যাওয়া বারণ। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। ফলে তাদের মানসিকতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অভিভাবকদের পাশাপাশি মনরোগ বিশেষজ্ঞরাও এই কথা বলছেন। কলকাতার এই সময় এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানায়। এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশু-কিশোরদের অনেকেরই তাদের পড়াশোনায় একদম মন বসছে না।

স্বাস্থ্য

কিছু মানুষকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা নেই করোনার

কিছু মানুষকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা নেই করোনার

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। একই সঙ্গে প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যারও। তবে এ মহামারীর মধ্যেও কিছু মানুষ কখনও করোনায় আক্রান্ত হবেন না। সম্প্রতি সেল জার্নালে প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় এমন দাবি করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, সব মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটানোর সক্ষমতা নেই। কিছু মানুষের শরীরে এমন ধরনের ‘টি সেল’ (এর টিকা নিউজের শেষে দেয়া আছে) রয়েছে, যার কারণে তারা কখনও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না।