রুপালি পর্দার একসময়ের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নায়ক, যাঁর হাসি আর নাচে একসময় মাতত প্রেক্ষাগৃহ, সেই গোবিন্দাকে ঘিরে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়েছে অস্বস্তিকর এক আবহ। বহুদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থাকলেও সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎ যেন ফের তাঁকে টেনে আনল শিরোনামে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরই নাকি শুরু হয় লাগাতার হুমকি, এমনটাই দাবি অভিনেতার ঘনিষ্ঠ সহায়কের।
গভীর রাত, ঘড়ির কাঁটা তখন তিন পেরিয়েছে। চারপাশে নিস্তব্ধতা ভেঙে আচমকা বাড়ির সামনে জড়ো হয় একদল অজ্ঞাতপরিচয় মানুষ। পরিস্থিতি দ্রুতই অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। দাবি করা হয়েছে, সেই সময় নিজের সুরক্ষার জন্য বন্দুক হাতে বেরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন গোবিন্দা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোর চারটার দিকে তাঁর সহায়ক বাড়িতে পৌঁছন এবং পরে অভিযোগও দায়ের করা হয়। ঘটনার নাকি দৃশ্যধারণও রয়েছে তাঁদের কাছে।
অভিনেতার ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, এই হুমকি নতুন নয়। বেশ কিছুদিন ধরেই অচেনা নম্বর থেকে ফোনে ভয় দেখানো হচ্ছিল। তাঁদের কথায়, সেদিন হাতে অস্ত্র না থাকলে বড় ধরনের বিপদও ঘটতে পারত। তবে একই সঙ্গে এই ঘটনাকে অযথা বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি তাঁদের। অপমান, কটূক্তি আর লাগাতার আক্রমণের পরিবেশে তাঁরা নাকি মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন।
এই আলোচনার মাঝেই সামনে এসেছে অতীতের এক অন্ধকার স্মৃতি। দুই বছর আগের এক রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল অভিনেতাকে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে হুমকির অভিযোগ, ফলে বিনোদন জগতের অন্দরে ফের জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কে বা কারা এই তারকাকে নিশানা করছে, সেই প্রশ্নেই এখন কৌতূহল তুঙ্গে। আলো, ক্যামেরা আর করতালির আড়ালে যে অনিশ্চয়তার ছায়াও লুকিয়ে থাকে, গোবিন্দাকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ যেন আবার সেই বাস্তবতাই মনে করিয়ে দিল।
পিআর/টিকে