বয়সটাই শুধু বেড়েছে হাড়ের জোর কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। তার প্রমাণ ৩৯ বছর বয়সী ব্যাটারের এই রেকর্ড সেঞ্চুরি। তবে ১৩০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেও হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার। ম্যাচসেরার পুরস্কার অবশ্য তিনিই জিতেছেন।
সিডনি থান্ডারকে ৬ উইকেটে হারিয়ে জয়ের উদযাপন করেছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। ১৩ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ের ম্যাচে উইকেট না পেলেও কিপ্টে বোলিংটা বাংলাদেশি লেগস্পিনারই করেছেন। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন রিশাদ। একটা উইকেট অবশ্য পেতে পারতেন তিনি।
সেটিও বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করা ওয়ার্নারের। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৭ রানে বাঁহাতি ওপেনার ক্যাচ দিলে তা ধরতে পারেন না টিম ওয়ার্ড।
জীবন পেয়ে পড়ে আর পেছন ফিরে তাকাননি ওয়ার্নার। ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত ১৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
২০০.০০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ৯ ছক্কা ও ১১ চারে। তাতে ২০১৯ সালের পর টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি পেলেন বাঁহাতি ব্যাটার। দীর্ঘ ৭ বছর পাওয়া সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। থান্ডারের হয়ে এখন সর্বোচ্চ ইনিংসটি তারই। আগের রেকর্ডটি ছিল সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার কালাম ফার্গুসনের, ১১৩ রান।
বিগব্যাশের দ্বিতীয় আর স্বীকৃতি টি-টোয়েন্টিতে নবম সেঞ্চুরি ওয়ার্নারের। তাতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় ছুঁয়ে ফেলেছেন ভারতের বিরাট কোহলি ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশোকে। ৯ সেঞ্চুরিতে তিনজনই এখন তালিকায় তৃতীয়। ১১ সেঞ্চুরিতে দুইয়ে আছেন পাকিস্তানের বাবর আজম। আর ২২ সেঞ্চুরিতে শীর্ষে ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিস গেইল।
ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিতে হোবার্টকে ২০৬ রানের টার্গেট দিয়েছিল থান্ডার। বিশাল লক্ষ্য দিয়েই জয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি তারা। ক্যাচ ছাড়ার প্রায়শ্চিত্ত করে হোবার্টকে দুর্দান্ত জয় এনে দিয়েছেন ওয়ার্ড। তবে কিছুটা আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই ওপেনার।
টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরিটা ১০ রানের জন্য পাননি ওয়ার্ড। মাইকেল ওয়েনকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনিংয়ে ১০৮ রানের জুটি গড়েন তিনি। ২৫০.০০ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে ওয়েল ৪৫ রানে ফিরলে রানের চাকা সচল রাখেন ওয়ার্ড। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার সময় ৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ১৮৩.৬৭ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ১০ চার ও ৩ ছক্কায়। পরে জয়ের বাকি কাজ সারেন নিখিল চৌধুরি (২৯*) ও ম্যাথু ওয়েড (১৩*)।
আরআই/টিকে