প্রায় এক দশক পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া কঙ্গনা রানাউত ও আর মাধবন। তাদের নতুন ছবি ‘সার্কেল’ ইতোমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ঘরানার ছবি, যার পরিচালনায় রয়েছেন দক্ষ নির্মাতা এ এল বিজয়। এই পরিচালকের সঙ্গেও কঙ্গনার পুরোনো কাজের স্মৃতি রয়েছে, তবে এবার চিত্রনাট্য ও চরিত্রের গভীরতা-দুটিই এক নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালে ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করে দারুণ সাড়া ফেলেছিলেন কঙ্গনা ও মাধবন। সেখান থেকেই শুরু, এরপর দীর্ঘ বিরতির পর ‘সার্কেল’ দিয়ে তারা ফিরছেন অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা নিয়ে। ছবির কাহিনি আবর্তিত হচ্ছে এমন এক চরিত্রকে ঘিরে, যিনি একই সঙ্গে একজন ডাক্তার এবং রোগী-নিজের মধ্যেই দ্বৈত সত্তার টানাপড়েনে বন্দি। পরিচয়, বাস্তবতা এবং মনস্তত্ত্বের জটিল প্রশ্নগুলো নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘সার্কেল’-এর প্লট।
বলা যায়, ছবির বাজেট ও নির্মাণ পরিকল্পনা থেকেই অনুমান করা যাচ্ছে এটি একটি বড় মাপের প্রোজেক্ট হতে চলেছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ট্রাইডেন্ট আর্টস ইতোমধ্যে ছবিটির জন্য প্রাসঙ্গিক সব আয়োজন শুরু করেছে। ২০২৫ সালের দশেরা উৎসবে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ও নন্দনতাত্ত্বিক দিক থেকেই এটি হতে পারে বছরটির অন্যতম প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র।
বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয় কঙ্গনার জন্য এটি অভিনয়ে ফেরা নয়, বরং এক নতুন রকমের আত্মপ্রকাশ, যেখানে তিনি তার সংবেদনশীলতা ও অভিনয়শৈলীকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। অপরদিকে মাধবনের পরিশীলিত অভিনয় বরাবরই প্রশংসিত, আর মনস্তাত্ত্বিক গল্পের ভেতরে তার উপস্থিতি যে দর্শকদের নতুন করে ভাবাবে, তা বলাই বাহুল্য।
চিত্রনাট্য থেকে নির্মাণ-সব দিক থেকেই এটি এমন এক ছবি, যা বছরের শেষে বলিউডে আলোড়ন তুলতে পারে। দর্শকরা অপেক্ষায় আছেন, কেমন হবে কঙ্গনা ও মাধবনের এই দ্বিতীয় অধ্যায়।
এমকে/টিএ