• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭

ইতিহাস

মিশরের প্রাচীন কবরস্থানে আড়াই হাজার বছর পুরোনো ২৭টি কফিনের সন্ধান   

মিশরের প্রাচীন কবরস্থানে আড়াই হাজার বছর পুরোনো ২৭টি কফিনের সন্ধান  

প্রাচীন সভ্যতার দেশ মিশর। সম্প্রতি দেশটির সাক্কারা নামক একটি প্রাচীন কবরস্থানে মাটি খুঁড়ে সন্ধান পাওয়া গেল ২৫০০ বছরের পুরোনো ২৭টি কফিনের। মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রনালয় জানিয়েছে, রাজধানী কাইরোর দক্ষিণে অবস্থিত প্রাচীন এই কবরস্থানটি প্রায় ৩৬ ফুট গভীরে এসব কফিন বা শবাধারের সন্ধান পাওয়া যায়। এই মাসের শুরুর দিকে ১৩টি কফিন উদ্ধার করা হয় এবং পরে আরও ১৪টি কফিন মাটির নিচ থেকে

হিটলারের পরমাণু বিজ্ঞানীদের ধরতে পরিচালিত হয় যে গোপন মিশন

হিটলারের পরমাণু বিজ্ঞানীদের ধরতে পরিচালিত হয় যে গোপন মিশন

১৯৩৮ সালে, জার্মান বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক রি-অ্যাকটর তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ইউরেনিয়ামের মজুদ জোগাড় করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য কোয়ান্টাম পদার্থবিদ ওয়ার্নার কার্ল হেইসেনবার্গের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছিল একটি বিশেষ বৈজ্ঞানিক ইউনিট।

পূর্বের মহামারীগুলো থেকে যেসব শিক্ষা পেয়েছে মানব সমাজ

পূর্বের মহামারীগুলো থেকে যেসব শিক্ষা পেয়েছে মানব সমাজ

মানব সভ্যতার ইতিহাসে এটিই প্রথম মহামারী নয়, এর আগেও মহামারীর বিস্তার মানুষ দেখেছে এবং সেসব মহামারী থেকে নানা অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। এসব মহামারী থেকে লব্ধ অনেক জ্ঞান আমাদের আজকের এই মহামারী পরিস্থিতিতে বহুভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কাশ্মীর যেভাবে ভারত-পাকিস্তানের অংশ হলো

কাশ্মীর যেভাবে ভারত-পাকিস্তানের অংশ হলো

১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে। হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত ৮৬,০০০ বর্গ মাইলের এই এলাকাটি এক সময় স্বাধীন রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হতো। বর্তমানে অঞ্চলটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত আর উভয়েই কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দাবি করছে।

ভারত মহাসাগর পরিচিতি

ভারত মহাসাগর পরিচিতি

আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর হলো ভারত মহাসাগর, যা ইন্ডিয়ান ওশেন নামে পরিচিত। প্রাচীনকালে গ্রীকদের কাছে এটি এরিথ্রিয়ান সাগর নামেও পরিচিত ছিল, যা পরবর্তীকালে ভারত মহাসাগর হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

চেরোনবিল: পারমাণবিক দুর্ঘটনার ভয়ানক ইতিহাস

চেরোনবিল: পারমাণবিক দুর্ঘটনার ভয়ানক ইতিহাস

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পারমানবিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, মারণাস্ত্র তৈরী, চিকিৎসা প্রভৃতি বহু কাজে রয়েছে এর বিস্তর ব্যবহার। পারমানবিক শক্তি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হয় পারমানবিক রিয়্যাক্টরের।