তিন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা
প্রশাসক পদ বাতিল, কর্মকর্তােদের পদে থাকা শিক্ষকদের প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে আবারও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতি। রোববার থেকে এ কর্মসূচী শুরু হয়েছে।
প্রশাসক পদ বাতিল, কর্মকর্তােদের পদে থাকা শিক্ষকদের প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে আবারও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতি। রোববার থেকে এ কর্মসূচী শুরু হয়েছে।
এর আগে ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সমিতির পক্ষ থেকে দাবি আদায়ে কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে গ্রহণযোগ্য সমাধানের আশ্বাসে তা বাতিল করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হামিদ হাসান নোমানি বাংলাদেশ টাইমসকে বলেন, 'প্রশাসন আমাদের সমাধানের আশ্বাস দিলেও সব দাবি মেনে নেয়নি। তাঁরা শুধু আমাদের ৩নং দাবির ব্যাপারে একমত হয়েছেন। বাকি আরও দুই দাবির বিষয়ে প্রশাসন কোন সমঝোতায় আসেনি। তাই আমরা আগামীকাল থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছি।'
তিনি আরও বলেন,'অবস্থান কর্মসূচির জন্য প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্যান্ডেল তৈরি করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের বাধা দেয়। শান্তিপূর্ণ ভাবে আমরা আন্দোলন করছি। তাই আমরা কোন বিবাদে জড়াচ্ছি না। তবে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। অনির্দিষ্টকালের জন্য আমাদের এই কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চলবে।'
অফিসার সমিতির দাবিসমূহ হলো- ১৯৭৩ অ্যাক্ট অনুযায়ী ঢাকা, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় সহকারী রেজিস্টার ও সমমানের পদে ৬ষ্ঠ গ্রেড এবং ডেপুটি রেজিস্টার ও সমমানের পদে ৪র্থ গ্রেড নির্ধারণের মাধ্যমে গ্রেডের সমতা আনতে হবে।
এছাড়া প্রশাসক পদ বাতিলসহ অফিসারদের সব পদ থেকে শিক্ষকদের প্রত্যাহার এবং বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র অফিসারদের পদায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিসারদের ‘ডিউ ডেইট’ সমস্যা নিরসন করে পূর্বের ন্যায় চালু করারও দাবি জানিয়েছে কর্মকর্তা সমিতি।
টাইমস/নওশাদ/এনজে/এসএন